০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হৃদয়ের অপরাজিত ২৪২, লিড নিয়ে ৩৮৬ রানে থামল বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম

যমুনা নিউজ বিডি: মাত্র দুই ম্যাচ আগেই টেস্টে অভিশেষ করেছেন তাওহীদ হৃদয়। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মিরপুরে মাঠে নেমেই ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে দলে বিপদে ফেলেছিলেন তিনি। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। তবে তৃতীয় ম্যাচেই অসাধ্য সাধন করে সমালোচকদের কঠিন জবাব দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এতদিন সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট ইনিংস ছিল মুশফিকুর রহিমের, অপরাজিত ২১৯ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। হৃদয় আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে মুশফিককে ছাড়িয়ে গেছেন। ২৪২ রানের অপরাজিত থেকে দলকে লিড এনে দেন তিনি।

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় হৃদয়ের নামের পাশে ১৯০ রান। সঙ্গে লোয়ার অর্ডার ব্যাটার তাসকিন আহমেদ। সাদমান ইসলাম ইনজুরিতে পড়ায় তাসকিনই কার্যত বাংলাদেশের ইনিংসে শেষ ব্যাটার। আউট হলেই শেষ।

সেই তাসকিনকে নিয়েই মহাকাব্যিক এক ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালেন হৃদয়। এক প্রান্ত ধরে ধরে ৩০৪ বলে এই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন ডানহাতি ব্যাটার। ২০০ রান ছোঁয়ার পথে খেলার পথে ১৯টি চার আর ৭টি ছক্কা হাঁকান হৃদয়।

হৃদয়ের ইনিংসে বিরাট অবদান রেখেছেন তাইজুল ইসলাম। দু’জনের ১১৭ রানের জুটিতেই ৩০০ পার করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই জুটির ইতি টানেন জোমেল ওয়ারিকেন। এরপর তাসকিন ১২ রান করে আউট হলে ৩৮৬ রানের থামে বাংলাদেশ। ৩২ রানের লিড পায় টাইগাররা।

দিনের চতুর্থ শিকারে তাইজুলকে ব্যক্তিগত ২২ রানে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন ওয়ারিকেন। ৩০১ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তৃতীয় দিনের শুরুতে মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাসের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৪ রান করে মুশফিক জোমেল ওয়ারিকেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়েছেন। এরপর লিটনও ফিরেছেন মাত্র ৮ রান করে। মুশফিকের মতো ওয়ারিকেনের বলে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

হৃদয়কে সঙ্গ দেওয়ার প্রচেষ্টায় উইকেট বিলিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যক্তিগত ১৬ রানে। তাতে ভাঙে ৪১ রানের জুটি। তার বিদায়ে ষষ্ঠ উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের। ১ রানের বেশি করতে পারেননি হাসান মাহমুদ। ওয়ারিকেনের তৃতীয় শিকার হন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় : ০১:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

হৃদয়ের অপরাজিত ২৪২, লিড নিয়ে ৩৮৬ রানে থামল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

যমুনা নিউজ বিডি: মাত্র দুই ম্যাচ আগেই টেস্টে অভিশেষ করেছেন তাওহীদ হৃদয়। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মিরপুরে মাঠে নেমেই ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে দলে বিপদে ফেলেছিলেন তিনি। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। তবে তৃতীয় ম্যাচেই অসাধ্য সাধন করে সমালোচকদের কঠিন জবাব দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এতদিন সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট ইনিংস ছিল মুশফিকুর রহিমের, অপরাজিত ২১৯ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। হৃদয় আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে মুশফিককে ছাড়িয়ে গেছেন। ২৪২ রানের অপরাজিত থেকে দলকে লিড এনে দেন তিনি।

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় হৃদয়ের নামের পাশে ১৯০ রান। সঙ্গে লোয়ার অর্ডার ব্যাটার তাসকিন আহমেদ। সাদমান ইসলাম ইনজুরিতে পড়ায় তাসকিনই কার্যত বাংলাদেশের ইনিংসে শেষ ব্যাটার। আউট হলেই শেষ।

সেই তাসকিনকে নিয়েই মহাকাব্যিক এক ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালেন হৃদয়। এক প্রান্ত ধরে ধরে ৩০৪ বলে এই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন ডানহাতি ব্যাটার। ২০০ রান ছোঁয়ার পথে খেলার পথে ১৯টি চার আর ৭টি ছক্কা হাঁকান হৃদয়।

হৃদয়ের ইনিংসে বিরাট অবদান রেখেছেন তাইজুল ইসলাম। দু’জনের ১১৭ রানের জুটিতেই ৩০০ পার করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই জুটির ইতি টানেন জোমেল ওয়ারিকেন। এরপর তাসকিন ১২ রান করে আউট হলে ৩৮৬ রানের থামে বাংলাদেশ। ৩২ রানের লিড পায় টাইগাররা।

দিনের চতুর্থ শিকারে তাইজুলকে ব্যক্তিগত ২২ রানে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন ওয়ারিকেন। ৩০১ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তৃতীয় দিনের শুরুতে মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাসের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৪ রান করে মুশফিক জোমেল ওয়ারিকেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়েছেন। এরপর লিটনও ফিরেছেন মাত্র ৮ রান করে। মুশফিকের মতো ওয়ারিকেনের বলে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

হৃদয়কে সঙ্গ দেওয়ার প্রচেষ্টায় উইকেট বিলিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যক্তিগত ১৬ রানে। তাতে ভাঙে ৪১ রানের জুটি। তার বিদায়ে ষষ্ঠ উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের। ১ রানের বেশি করতে পারেননি হাসান মাহমুদ। ওয়ারিকেনের তৃতীয় শিকার হন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে।