০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষকতায় ও গানে সমানতালে এগিয়ে মিতু

প্রতিনিধির নাম

যমুনা নিউজ বিডি: যমুনা পাড়ের মেয়ে এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় ফোক ঘরানার শিল্পী কানিজ খন্দকার মিতু। একটা সময় রাজধানীর উত্তরার রাজউক কলেজে শিক্ষকতা করতেন। সেখানে টানান তিন বছর শিক্ষকতা শেষে গেলো দুই বছর যাবত উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়’র সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

এরইমধ্যে গত আগস্টের শেষের দিকে সহকারী প্রক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সবমিলিয়ে শিক্ষকতা পেশায় ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে শিক্ষকতা যেহেতু গানেরই তাই গান নিয়েও তিনি ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটান সবসময়। বলা যায় শিক্ষকতা এবং গান সমানতালেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। একজন সঙ্গীত বিভাগের নিবেদিত, আন্তরিক এবং মেধাবী শিক্ষক হিসেবে শিক্ষ্ধাসঢ়;র্থীদের কাছে বেশ সম্মানীত মিতু। আবার একজন সঙ্গীতশিল্পী বিশেষত ফোক ঘরানার সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও তিনি শ্রোতা দর্শকের কাছে ভীষণ সমাদৃত।

মিতু জানালেন, এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে তার উপর অর্পিত দায়িত্বটাই যথাযথভাবে তিনি পালন করতে চান। যে কারণে নিজের মধ্যে একটু চাও অনুভব করছেন তিনি। কারণ ছোটবেলা থেকেই তিনি তার উপর যেকোনো অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথেই পালন করার চেষ্টা করেন। এই বড় বেলায় এসেও ঠিক তাই। এরইমধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আঞ্চলিক গানের অনুষ্ঠান ‘প্রাণের সুর’-এ গান গেয়েছেন মিতু। পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতারের সরাসরি লোকগীতি গানের অনুষ্ঠানেও সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন তিনি। মিতু জানান, এরইমধ্যে তিনি পারভেজ ও আকাশের সঙ্গে দুটি মৌলিক গানও গেয়েছেন। গান দুটি শিগগিরই প্রকাশ পাবে। এই দুটি গান নিয়ে মিতু ভীষণ আশাবাদী। সবকিছুর পাশাপাশি তিনি রাজধানীর উত্তরাতে নিজ বাসাতেই গানে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ক্ল্যাসিক্যাল, ফোক’সহ সব ধরনের গান শেখান প্রতি শুক্রবার সকালে।

মিতু তার আগামীর স্বপ্ন নিয়ে বলেন,‘ এই মুহুর্তে আমি শিক্ষকতা পেশাকেই ভীষণ গুরুত্ব দিচ্ছি। আমি আমার দায়িত্বটুকু শতভাগ পালন করতে চাই। আর গানতো গেয়েই যাবো আজীবন। তবে আমার স্বপ্ন হচ্ছে বিলুপ্ত প্রায় ফোক গানগুলো নিয়ে কাজ করা, সামনে তুলে আনা। বিলুপ্ত প্রায় গানগুলো শ্রোতাদের সামনে নিয়ে আসতে চাই। এই ধরনের গানের প্রতি ভালোবাসা আছে এমন প্রযোজক পেলে সুবিধা হতো। জানিনা কতোদূর কী করতে পারবো, তবে এটা আমার স্বপ্ন। টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের গোবিনদাসী গ্রামের মেয়ে মিতুর তিন ভাই এক বোন। এদিকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে স্টেজ শোতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন মিতু।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় : ০৯:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষকতায় ও গানে সমানতালে এগিয়ে মিতু

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

যমুনা নিউজ বিডি: যমুনা পাড়ের মেয়ে এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় ফোক ঘরানার শিল্পী কানিজ খন্দকার মিতু। একটা সময় রাজধানীর উত্তরার রাজউক কলেজে শিক্ষকতা করতেন। সেখানে টানান তিন বছর শিক্ষকতা শেষে গেলো দুই বছর যাবত উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়’র সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

এরইমধ্যে গত আগস্টের শেষের দিকে সহকারী প্রক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সবমিলিয়ে শিক্ষকতা পেশায় ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে শিক্ষকতা যেহেতু গানেরই তাই গান নিয়েও তিনি ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটান সবসময়। বলা যায় শিক্ষকতা এবং গান সমানতালেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। একজন সঙ্গীত বিভাগের নিবেদিত, আন্তরিক এবং মেধাবী শিক্ষক হিসেবে শিক্ষ্ধাসঢ়;র্থীদের কাছে বেশ সম্মানীত মিতু। আবার একজন সঙ্গীতশিল্পী বিশেষত ফোক ঘরানার সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও তিনি শ্রোতা দর্শকের কাছে ভীষণ সমাদৃত।

মিতু জানালেন, এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে তার উপর অর্পিত দায়িত্বটাই যথাযথভাবে তিনি পালন করতে চান। যে কারণে নিজের মধ্যে একটু চাও অনুভব করছেন তিনি। কারণ ছোটবেলা থেকেই তিনি তার উপর যেকোনো অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথেই পালন করার চেষ্টা করেন। এই বড় বেলায় এসেও ঠিক তাই। এরইমধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আঞ্চলিক গানের অনুষ্ঠান ‘প্রাণের সুর’-এ গান গেয়েছেন মিতু। পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতারের সরাসরি লোকগীতি গানের অনুষ্ঠানেও সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন তিনি। মিতু জানান, এরইমধ্যে তিনি পারভেজ ও আকাশের সঙ্গে দুটি মৌলিক গানও গেয়েছেন। গান দুটি শিগগিরই প্রকাশ পাবে। এই দুটি গান নিয়ে মিতু ভীষণ আশাবাদী। সবকিছুর পাশাপাশি তিনি রাজধানীর উত্তরাতে নিজ বাসাতেই গানে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ক্ল্যাসিক্যাল, ফোক’সহ সব ধরনের গান শেখান প্রতি শুক্রবার সকালে।

মিতু তার আগামীর স্বপ্ন নিয়ে বলেন,‘ এই মুহুর্তে আমি শিক্ষকতা পেশাকেই ভীষণ গুরুত্ব দিচ্ছি। আমি আমার দায়িত্বটুকু শতভাগ পালন করতে চাই। আর গানতো গেয়েই যাবো আজীবন। তবে আমার স্বপ্ন হচ্ছে বিলুপ্ত প্রায় ফোক গানগুলো নিয়ে কাজ করা, সামনে তুলে আনা। বিলুপ্ত প্রায় গানগুলো শ্রোতাদের সামনে নিয়ে আসতে চাই। এই ধরনের গানের প্রতি ভালোবাসা আছে এমন প্রযোজক পেলে সুবিধা হতো। জানিনা কতোদূর কী করতে পারবো, তবে এটা আমার স্বপ্ন। টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের গোবিনদাসী গ্রামের মেয়ে মিতুর তিন ভাই এক বোন। এদিকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে স্টেজ শোতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন মিতু।