০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একযোগে বদলি পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা

প্রতিনিধির নাম

কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঐতিহাসিক নয়াবাদ জামে মসজিদটি এখন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কান্তজি মন্দির থেকে প্রায় ১কিলোমিটার দক্ষিণে নয়াবাদ গ্রামের ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদটি অবস্থিত। এখন তা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জনশ্রুতি রয়েছে, ১৭২২ সালে তৎকালীন দিনাজপুর মহারাজা প্রাণনাথ বর্তমান কাহারোল উপজেলার কান্তনগর গ্রামে একটি মন্দির নির্মাণের জন্য মধ্যপ্রাচ্য দেশ মিশর থেকে একদল সুদক্ষ স্থাপনা নির্মাণ কারিগর নিয়ে আসেন। আগত কারিগরেরা সবাই মুসলমান ও ধার্মিক ছিলেন। নির্মাণকালীন সময় মন্দিরের পাশেই খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায় করতেন কারিগরেরা।

এ সময় কান্তজি মন্দির থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ঢেপা নদীর পশ্চিম কোল ঘেষে অবস্থিত নয়াবাদ গ্রামে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ জমি মসজিদ নির্মাণের জন্য ও মসজিদের পাশে তাদের থাকার জন্য বাড়ি করার নির্দেশ দেন মহারাজা। মহারাজার নির্দেশ মোতাবেক মিস্ত্রিরা মন্দিরের পাশাপাশি ওই নয়াবাদ গ্রামে নিজেদের থাকার জন্য বাড়ি ও নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ নির্মাণ করেন।

দিনাজপুর কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোকলেদা খাতুন মীম জানান, ঐতিহাসিক কান্তজি মন্দির পরিদর্শনের পাশাপাশি পর্যটকদের ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদটি পরিদর্শনে দিন দিন আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় : ০৮:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

একযোগে বদলি পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৮:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঐতিহাসিক নয়াবাদ জামে মসজিদটি এখন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কান্তজি মন্দির থেকে প্রায় ১কিলোমিটার দক্ষিণে নয়াবাদ গ্রামের ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদটি অবস্থিত। এখন তা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জনশ্রুতি রয়েছে, ১৭২২ সালে তৎকালীন দিনাজপুর মহারাজা প্রাণনাথ বর্তমান কাহারোল উপজেলার কান্তনগর গ্রামে একটি মন্দির নির্মাণের জন্য মধ্যপ্রাচ্য দেশ মিশর থেকে একদল সুদক্ষ স্থাপনা নির্মাণ কারিগর নিয়ে আসেন। আগত কারিগরেরা সবাই মুসলমান ও ধার্মিক ছিলেন। নির্মাণকালীন সময় মন্দিরের পাশেই খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায় করতেন কারিগরেরা।

এ সময় কান্তজি মন্দির থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ঢেপা নদীর পশ্চিম কোল ঘেষে অবস্থিত নয়াবাদ গ্রামে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ জমি মসজিদ নির্মাণের জন্য ও মসজিদের পাশে তাদের থাকার জন্য বাড়ি করার নির্দেশ দেন মহারাজা। মহারাজার নির্দেশ মোতাবেক মিস্ত্রিরা মন্দিরের পাশাপাশি ওই নয়াবাদ গ্রামে নিজেদের থাকার জন্য বাড়ি ও নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ নির্মাণ করেন।

দিনাজপুর কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোকলেদা খাতুন মীম জানান, ঐতিহাসিক কান্তজি মন্দির পরিদর্শনের পাশাপাশি পর্যটকদের ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদটি পরিদর্শনে দিন দিন আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে।