০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই শ্রমিক আন্দোলন: বিকেএমইএ সভাপতি

প্রতিনিধির নাম

যমুনা নিউজ বিডি: সরকারকে বেকায়দায় ফেলা এবং শিল্পকারখানায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শ্রমিক আন্দোলনের নামে নানা তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

চলমান শ্রমিক আন্দোলন ও শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি এবং কারখানার ক্ষতি করাই এসব আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে শ্রমিক প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে বসে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণের আহ্বান জানান বিকেএমইএ সভাপতি।

একই সঙ্গে আন্দোলনের পেছনে কারও উসকানি বা ষড়যন্ত্র থাকলে তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মোহাম্মদ হাতেম গণমাধ্যমকে বলেন, এক দিনের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও মোট রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উৎপাদন ব্যাহত হলে ক্রেতারা নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন। এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শিল্পকারখানায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সময়মতো রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই শ্রমিক আন্দোলন: বিকেএমইএ সভাপতি

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

যমুনা নিউজ বিডি: সরকারকে বেকায়দায় ফেলা এবং শিল্পকারখানায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শ্রমিক আন্দোলনের নামে নানা তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

চলমান শ্রমিক আন্দোলন ও শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি এবং কারখানার ক্ষতি করাই এসব আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে শ্রমিক প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে আলোচনার টেবিলে বসে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণের আহ্বান জানান বিকেএমইএ সভাপতি।

একই সঙ্গে আন্দোলনের পেছনে কারও উসকানি বা ষড়যন্ত্র থাকলে তা খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মোহাম্মদ হাতেম গণমাধ্যমকে বলেন, এক দিনের উৎপাদন বন্ধ থাকলেও মোট রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

উৎপাদন ব্যাহত হলে ক্রেতারা নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন। এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শিল্পকারখানায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সময়মতো রপ্তানি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।