০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের শততম জন্মদিন আজ

প্রতিনিধির নাম

যমুনা নিউজ বিডি: কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের শততম জন্মদিন আজ ১ নভেম্বর। ১৯২৬ সালের এই দিনে তৎকালীন মাদারীপুর (বর্তমানে শরীয়তপুর) জেলার নড়িয়া থানাধীন শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

মাত্র ২১ বছর বয়সে ১৯৪৬ সালে তিনি রচনা করেন বিখ্যাত উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’।

আবু ইসহাক ১৯৪২ সালে নড়িয়া থানার উপসী বিজারি তারাপ্রসন্ন ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ নিয়ে মেট্রিক এবং ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ১৯৪৪ সালে আই. এ. পাস করেন।

১৯৬০ সালে পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এবং বিদেশে কূটনৈতিক পদে নিয়োজিত ছিলেন।

তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খণ্ড, ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করে বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে বাড়িয়ে তুলেছেন। তার প্রণীত অভিধানের বিশেষত্ব হলো— শব্দের শুধু অর্থ নয়, সব ধরনের প্রতিশব্দ প্রদান। তার অভিধানে ‘অন্ধকার’ শব্দের ১২৭টি সমার্থক শব্দ আছে।

লেখালেখির জন্য পেয়েছেন একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি ‍পুরস্কার।

২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের শততম জন্মদিন আজ

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

যমুনা নিউজ বিডি: কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের শততম জন্মদিন আজ ১ নভেম্বর। ১৯২৬ সালের এই দিনে তৎকালীন মাদারীপুর (বর্তমানে শরীয়তপুর) জেলার নড়িয়া থানাধীন শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

মাত্র ২১ বছর বয়সে ১৯৪৬ সালে তিনি রচনা করেন বিখ্যাত উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’।

আবু ইসহাক ১৯৪২ সালে নড়িয়া থানার উপসী বিজারি তারাপ্রসন্ন ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ নিয়ে মেট্রিক এবং ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ১৯৪৪ সালে আই. এ. পাস করেন।

১৯৬০ সালে পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এবং বিদেশে কূটনৈতিক পদে নিয়োজিত ছিলেন।

তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খণ্ড, ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করে বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে বাড়িয়ে তুলেছেন। তার প্রণীত অভিধানের বিশেষত্ব হলো— শব্দের শুধু অর্থ নয়, সব ধরনের প্রতিশব্দ প্রদান। তার অভিধানে ‘অন্ধকার’ শব্দের ১২৭টি সমার্থক শব্দ আছে।

লেখালেখির জন্য পেয়েছেন একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি ‍পুরস্কার।

২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।