০৩:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পিকারের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রতিনিধির নাম

যমুনা নিউজ বিডি: জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার।

তিনি বলেন, লি কুয়ান ইউ-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম একটি সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হয়েছে।

স্পিকার বলেন, ‘২৪-এর জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয় এবং এদেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এদেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে এদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিঙ্গাপুর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

হাইকমিশনার ডেরেক লো বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার তুলনায় কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে এ দেশের কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর জাহাজ ও বিভিন্ন ধরনের নৌযান নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রসার ও ড্রাই ডক স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ থেকে সুফল লাভ করতে পারে।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য, তৈরি পোশাক শিল্পের প্রসার, দ্বিপাক্ষিক সংসদীয় সফর বিনিময়, সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পাবলিক পরীক্ষা ও সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় স্পিকার ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের জন্য সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে সিঙ্গাপুর দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

স্পিকারের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

যমুনা নিউজ বিডি: জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার।

তিনি বলেন, লি কুয়ান ইউ-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম একটি সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হয়েছে।

স্পিকার বলেন, ‘২৪-এর জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয় এবং এদেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সূচিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এদেশের ইতিহাসে অন্যতম অবাধ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে এদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিঙ্গাপুর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

হাইকমিশনার ডেরেক লো বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার তুলনায় কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে এ দেশের কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর জাহাজ ও বিভিন্ন ধরনের নৌযান নির্মাণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রসার ও ড্রাই ডক স্থাপনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ থেকে সুফল লাভ করতে পারে।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য, তৈরি পোশাক শিল্পের প্রসার, দ্বিপাক্ষিক সংসদীয় সফর বিনিময়, সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পাবলিক পরীক্ষা ও সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় স্পিকার ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের জন্য সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে সিঙ্গাপুর দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।