কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদকসহ ২ জন আটক
যমুনা নিউজ বিডি: কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানের বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এসব অভিযানে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদক ও অন্যান্য মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫০ টাকা।
আজ রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান, লে. কর্নেল আবু রাশেদ কামাল রনি।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ৪১ বোতল মদ, ফেয়ারডিল সিরাপ ১ বোতল, স্কাপ সিরাপ ৩ বোতল, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ১শ’ পিস, সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট ৩ হাজার পিস, গাঁজা ৪ কেজি, চকলেট বাজি ৯৯৮ পিস, দুটি সিমকার্ড ও একটি মোবাইল ফোন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ব্রিজ বাজার এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবি। এ সময় সাইদুর ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ১ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও ৩ বোতল স্কাপ সিরাপসহ আটক করা হয়।
একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর মাঠে অভিযান চালিয়ে সুভেল (২৬) নামে আরেক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১০ বোতল ভারতীয় মদ, ১শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, দুটি সিমকার্ড ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া রাত সাড়ে ১১টার দিকে তেঁতুলবাড়ি মোল্লাপাড়া মাঠ থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল ভারতীয় মদ ও ৩ হাজার পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পশ্চিম ধর্মদাহ মাঠ থেকে ২১ বোতল ভারতীয় মদ ও ৯৯৮ পিস চকলেট বাজি উদ্ধার করা হয়। একই দিন রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে প্রাগপুর বিওপির সদস্যরা প্রাগপুর চুলকানির ঘাট এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালানের মালামাল বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



























