শওকত আজিজকে ১৪ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠালো আদালত
যমুনা নিউজ বিডি: প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় ১৪ বছরের দণ্ডিত পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম শুনানি শেষে তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিন তিনি আপিলের শর্তে জামিন চেয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তার পক্ষে ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা খান আপিলের যুক্তি তুলে ধরেন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জামিনের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান।
শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর একই আদালত এম এ হাসেমের দুই ছেলে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেল এবং রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে পৃথক দুই ধারায় ৭ বছর করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়। তবে উভয় সাজা একত্রে চলবে বিধায় সাত বছরের সাজা ভোগ করতে হবে।
পাশাপাশি তাদের দুই ধারায় মোট ১৮ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামি ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, এস.ডি, ফয়েজ, এ.কে.এম ওয়াহিদুল ইসলাম, এস, এম জাফর উল্লাহ, এইচ, এম জহিরুল হক ও রেজাউল করিম তরফদার ২০০১ সালের ২৩ অগাস্ট থেকে ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বৈধ আবেদনকারীদের সুযোগ না দিয়ে আসফাক আজিজ রুবেল ও শওকত আজিজ রাসেলকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে রাজউক অনুমোদিত ১০ কাঠার দুইটি প্লট বরাদ্দ দেয়।
এ ঘটনায় দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন কমিশনের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। ২০১৯ সালের ২৬ অগাস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।






























